বুঝতেই তো পারছেন…

পারমিতা খুবই সুন্দরী। কলেজে যাওয়ার পথে পাখির দোকানটা যখন হেঁটে পার হচ্ছিলো,
তখনই একটা পাখি চিল্লিয়ে উঠলো:-

এই আপু, আপনিতো খুবই কুৎসিত!

পারমিতার মেজাজ খারাপ হলো প্রচণ্ড। কিন্তু পাখির উপর রেগে
আর কী হবে? অগত্যা কলেজের দিকে হাঁটা শুরু করলো।

পরদিনও একই ঘটনা। যখন হেঁটে যাচ্ছিলো পাখির দোকানটার কাছ দিয়ে,
পাখিটা চিৎকার করে ‍উঠলো:-

এই আপু, আপনি খুবই কুৎসিত!!

পারমিতা মেজাজ গরম করে দ্রুত চলে গেলো।

কিন্তু পরদিনও ঘটলো সেইম ঘটনা। দোকানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো পারমিতা…
পাখিটার চিৎকার শোনা গেলো:-

এই আপু, আপনিতো ভীষণ কুৎসিত!!!

পারমিতা আর সহ্য করতে পারলো না। রেগেমেগে পাখির দোকানীর কাছে গেলো। গিয়ে বললো:-
আপনার পাখির মুখ বন্ধ করান। নয়তো
আমার কলেজের পোলাপানদের বলে আপনার দোকান ভেঙ্গে বন্ধ করে দেবো!

দোকানী কড়জোরে ক্ষমা চেয়ে বললো, আগামীকাল থেকে পাখি তাকে আর
এই কথা বলবে না।

খুশি হয়ে পারমিতা কলেজে চলে গেলো।

কিন্তু পরদিন যখন পাখির দোকানটার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলো পারমিতা,
পাখিটা ডাকলো তাকে-

– এই যে আপু?

: কী?
পারমিতা জিজ্ঞেস করলো। পাখিটা ঠোঁট বাঁকা করে জবাব দিলো:-

– বুঝতেই তো পারছেন…

:D :P
(কী বদমাশ পাখিরে বাবা!!!!!)